হে শূন্য হে নিষাদ
(১) বাইরে বেরিয়ে আসার জন্য ডাক দিচ্ছ তুমি , সেই ডাক ছুঁড়ে দিচ্ছ স্পাইরাল মোডে। আমার জিজ্ঞাসা , যা তোমার উদ্দেশ্যে পাঠাব না, সে কেবল আমাকে বিদ্ধ করছে । কে ,কবে ,কোথায় ঢুকতে পেরেছে ? - এই বলে । আমার প্রিয় সূর্য ও তার সংসার একটি গ্যালাক্সির মধ্যে ঘুরছে , আর ঘুরতে ঘুরতে অন্য গ্যালাক্সির দিকে ছুটে চলেছে । সেই ছুট-প্রিয় অস্থিরতার মধ্যেই তথাকথিত এক স্থিরতার আসনে বসে আছি আমি । ভেতর বার বলে কোথাও কিছু কি আছে ? (২) চল্লিশ মিনিটের ক্লাস শেষ হয়ে এলো , জানালা দিয়ে বাইরের রাস্তার দিকে তাকাতে গিয়েই সময় যে একচামচ চিনির চেয়ে বেশি নয় বোঝা যায় ; এটুকু সময়ে কীভাবে বোঝাবে নন্দনতত্ত্বের গায়ে ছাতা পড়ার কথা , কীভাবে খোঁজাবে জ্যোতিষ্কলোকের সাম্প্রতিক মিটিং ! হাল্কা একটা যন্ত্রণার ছাপ পড়ছে সাদা কাগজে , সেটা মুক্তি হতে পারে , অন্তর্ভুক্তিও হতে পারে কোনো নতুন সমস্যার। সমস্যা ভাঙিয়ে ভাঙিয়ে কিনে আনা সামান্য জীবন এক আলোকবর্ষের কতটা দেমাক ভাঙতে পারবে , মাত্র এই চল্লিশ মিনিটে ? (৩) কোনোকিছু পেরে ওঠা ইদানিং আমার নাগালের বাইরে গি...